Freelancer Upwork Fiveer Interesting Clients the way! ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে ক্লাইন্ট এর কাছে ইন্টারেস্টিং হওয়ার উপায় !

Freelancer Upwork Fiveer Interesting Clients the way!  ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে ক্লাইন্ট এর কাছে ইন্টারেস্টিং হওয়ার উপায় !



ক্লাইন্ট হ্যান্ডলিং এর গুরুত্ত তারা বুঝে যারা ৫ ডলার দিয়ে কাজ শুরু করছে তারপর ১০০০ ডলার পার হয়ে গেছে কিন্তু কাজ আর শেষ হয় না। তাদের কাজটা কিন্তু ছিল ৫/১০ ডলার এর ফিক্সড জব, অনগোয়িং ও না, তাহলে প্রশ্ন ১০০০ ডলার এর কাজ করলো কিভাবে ? আসল ব্যাপারটা সবাই জানেন, সেটা হলো ক্লাইন্ট কন্ট্রাকটর এর কাজ , কন্ট্রাকটর এর ব্যবহার ইত্যাদি বিষয় পছন্দ করার কারনে নিয়মিত তাকে জব দেয়/মান্থলি কোন জব দেয়। যারা সবসময় ফ্রিল্যান্স জব করে তাদের কাছে মান্থলি ফ্রিল্যান্স জব পাওয়া অনেকটা আরামদায়ক এবং সবাই এটা প্রত্যাশা করে যে সে একটা মান্থলি/অনগোয়িং বড় একটা জব পাবে। সেক্ষেত্রে কি কি করনীয় আসুন তা একবার দেখে নিই। এসব কোনটাই নিয়ম নয়। কিন্তু এসব করলে পজেটিভ ফল অবশ্যই পাবেন।
১. সব সময় কাজের কথা না বলে, দুজন ই ফ্রি থাকলে ব্যক্তিগত প্রশ্ন করতে পারেন, এটা অনেক কাজে দেয়। তবে কখনো কোম্পানীর হয়ে কাজ করে এমন বায়ার কে ব্যক্তিগত প্রশ্ন করবেন না।,

২. প্রতিটা কাজ কনফিডেন্স নিয়ে করুন। বায়ার কে সবকিছু সম্পর্কে অবহিত করুন যে আপনি কি কি করতেছেন। তাতে সে বুঝবে যে আপনি কি পরিমান কাজ করছেন এবং সে অনুপাতে আপনাকে পেমেন্ট দিবে, আপনাকে কিছু বলতে হবে না (যদি পেমেন্ট আগেই ফিক্সড না থাকে)।

৩. ডেডলাইন কখনো মিস করবেন না ; [এক্ষেত্রে করনীয় হলো যা সময় লাগবে তার থেকে ২/৩/৪ দিন সময় বেশি নেয়া , সম্ভব হলে দিগুন সময় নেয়া]।

৪. কন্টাক্ট শেষ হলেই যোগাযোগ এর রাস্তা চিরতরে বন্ধ করে দিবেন না। সময় সুযোগ হলে তাদের নক করবেন / মেইল ও করতে পারেন। (ইম্পর্টেন্ট)।

৫. ক্লাইন্টকে কখনো ক্লাইন্টই বলা উচিৎ নয় যে তোমার কাজের এখানে সমস্যা হচ্ছে/ এখানে কাজ হচ্ছে না, সবসময় বলা উচিৎ এটা করলে আমাদের ভাল হবে। এতে সে বুঝে যে কাজটা আমি নিজের মনে করে করতেছি। (এটা ইম্পর্টেন্ট না তবে আমার কাছে কেন জানি গুরুত্তবহন করে)।
৬. ক্লাইন্টকে এর সাথে মেইল/ওডেস্ক মেসেজিং বেশি না করে স্কাইপ এ এড করে নিন/তাকে বলুন এড করতে। এতে কমুনিকেশন ভালো হয়। সম্পর্ক ও ভালো থাকে।

৭. যা কাজ দিবে শুধু সেটুকু ই করে বসে থাকবেন না, সময় থাকলে অন্য জিনিসগুলার দিকে নজর দিন।

৮. কখনো আপ-ফ্রন্ট আগে চাবেন না। ক্লাইন্ট এর রিকোয়ারমেন্ট মনযোগ দিয়ে শুনুন, সমস্যা থাকলে আলোচনা করুন, সবকিছুর শেষে তাকে আপফ্রন্ট এর কথা বলুন।

৯. যেকোন মেইল/মেসেজ এর রিপ্লাই যতদ্রুত সম্ভব দিন। যত লেট করবেন সে তত বিরক্ত হবে। কারন আপনি রিপ্লাই দিলে তাকে ও আপনার উত্তর এর উপর ভিত্তি করে রিপ্লাই দেয়া লাগতে পারে।

১০. কখনো যদি কোন কাজ করতে আংশিক/সম্পূর্ন ব্যর্থ হোন তাহলে সাথে সাথে ক্ষমা চেয়ে নিন। এবং সেজন্য যদি কোন পেমেন্ট নিয়ে থাকেন তা ফেরত দিন। তাতে বায়ার খুশি হবে।

১১. বেশির ভাগ ক্ষেত্রে টাকা পয়সা নিয়ে বায়ার দের সাথে বেশি লাগে। এ ব্যাপারে সচ্ছ থাকুন।

Post a Comment

0 Comments