তেল ছাড়াই চলবে মোটর বাইক

তেল ছাড়াই চলবে মোটর বাইক
তেল ছাড়াই চলবে মোটর বাইক



মোটরবাইক এখন থেকে তেল ছাড়া চলবে। শুনে নিশ্চয়ই অবাক হচ্ছেন। কিন্তু এটাই এখন বাস্তবে পরিণত হয়েছে। এটি একটি দুঃস্বপ্ন ছিল অনেকের কাছে। এরই প্রেক্ষিতে বৃহত্তর স্বনামধন্য হিরো কোম্পানি এসেছে ই-বাইক।

আরে এই e-bike চলবে তেল ছাড়া। যদিও ইলেকট্রিক স্কুটার অনেক আগেই নেমে আসে কিন্তু হিরো ইলেকট্রিক আরো উন্নত প্রযুক্তি নিয়ে। ইলেকট্রিক স্কুটার এর মডেল গুলো হচ্ছে  Nyx - Hx , Optima - Hx , Photon - Hx.  এই 3 মডেলের ইলেকট্রিক বাইক প্রকাশ করেছেন হিরো ইলেকট্রিক ব্র্যান্ড।


হিরো ইন্ডিয়ান সিইও হচ্ছেন সোহিন্দর গিল। তিনি বলেছেন বর্তমানে বাইকের দুনিয়ায় এই বাইকের নতুন যাত্রা শুরু হয়েছে । মত দেখা যায় কম স্পিডে বাইক গুলোর দাম কম এবং বেশি স্পিড বাইক গুলো দাম একটু বেশি।

এ রকম বিষয় বিবেচনা করে ক্রেতারা গাড়ি গুলো কিনতে অভ্যস্ত। কয়েক বছর মার্কেট রিসার্চ করে নতুন কিছু তথ্য তুলে আনা হয়েছে।  এই রিচার্জের উপর ভিত্তি করেই মার্কেটে নতুন ই বাইক লঞ্চ করা হয়েছে। যার পারফরম্যান্স এবং দাম দুই দিক থেকে ক্রেতাদের মনের মত চাহিদা মেটাবে।

অর্থাৎ তারা যেমনটা আশানুরূপ করেছে তাদেরকে ঠিক তেমন ভাবেই দেওয়ার প্রচেষ্টা। অল্প ব্যাটারীতে যথেষ্ট পরিমাণ পিক আপ দিতে সক্ষম হবে এই বাইকটি। শহরের অলি গলিতে খুব দ্রুততার সাথে চলবে।

এর দাম জনগণের সাধ্যের মধ্যেই থাকবে। যাতে সাধারণ জনগণের চাহিদা মেটাতে পারে। 70 - 200 কিলোমিটার কম্ফোর্টেবল ড্রাইভিং রেঞ্চ অন্যতম গুন। এটি বিশেষ একটি সুবিধা বলে ধারণা করছে প্রস্তুতকারী কোম্পানি। ব্যাটারির উপর অব্যবহৃত কোন চাপ পড়বে না। এজন্যই বাইকটি দীর্ঘদিন সার্ভিস দিবে এবং টেকসই করে তুলবে। যত দিন বাড়বে তাতে পারফরম্যান্সের হার কমবে না। নতুনের মতই পারফরম্যান্স দিতে থাকবে।

এই উৎপাদনকারী সংস্থা একটি কারো ধারণা হচ্ছে, শহরাঞ্চলে প্রতিদিন যাত্রীদের জন্য ই বাইক সবচেয়ে একটি সহযোগিতাপূর্ণ উপায়। আরো জানায় ভারতে পঞ্চাশটি রাজ্যে পাঁচশোর বেশি হিরো ইলেকট্রিক ডিলারশিপ এটি পাওয়া যাবে। বাইকের দাম শুরু হতে পারে 57, 560 টাকা থেকে।

পূজা উপলক্ষে ভারতবাসীর জন্য একটি নতুন উপহার হিসাবে নিয়ে আসছে। যা অনেক ছার এ পণ্য বিক্রি করা হবে উৎসবে। যারা এ উৎসবে মোটরবাইক কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তাদের জন্য একটি বিশেষ সুযোগ ইলেকট্রিক বাইক কেনার।

একটি রাজ্যের যেকোনো হিরো ইলেকট্রিক ডিলারের নিকট হতে কেনা যাবে। দূরবর্তী অফিসে যাতায়াত এর জন্য ইলেকট্রিক বাইক খুব কার্যকর। তাছাড়া মেয়েদের জন্য একটি অন্য রকম সুবিধা।


চলুন ইলেকট্রিক বাইক এর সুবিধা জেনে নেই:

*1 চার্জে 70 থেকে 100 কিলোমিটার পর্যন্ত যাওয়া যায়।
*জ্বালানির তুলনায় বৈদ্যুতিক চার্জে খরচ কম হয়।
*মেরামত খরচ তুলনামূলক অনেক কম।
*এটিতে তাপ উৎপন্ন হয় না এজন্য একটি পরিবেশ বান্ধব।
*এটা প্রতি কিলোমিটার যাতায়াত খরচ 0.15 টাকা।
*এটা শব্দ অনেক কম তাই কারো বিরক্তির কারণ হয় না
*মবিল চেক, চেইন মেরামতে খোলার ঝামেলা হয় না।

আর ভবিষ্যতে প্রযুক্তিগুলো দিনদিন ইলেকট্রিক নির্ভর হয়ে পড়েছে। জ্বালানি খরচ কমিয়ে ইলেকট্রিক খরচে রূপান্তর করা যায় তা নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে বিশ্ব। তাই এই রূপান্তরের সাথে সাথে মোটরসাইকেলের রূপান্তর ঘটে ইলেকট্রিক মোটর বাইক তৈরি হচ্ছে । বিশ্বকে যতটা পরিবেশ বান্ধব করা যায় সে পরিকল্পনাতেই সব গড়ে উঠছে। 

আরো নতুন নতুন টিপস পেতে সাথেই থাকুন।

Post a Comment

Previous Post Next Post