জেনে নিন শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির উপায় কি কি

জেনে নিন শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির উপায় কি কি 
Ways to increase immunity

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করার উপায়



ইউমিন হচ্ছে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা। আর এ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সকলের মধ্যেই কমবেশি বা মাঝারি ধরনের রয়েছে। কিন্তু এই ক্ষমতা বয়স বাড়ার সাথে সাথে ধীরে ধীরে কমে যায়। যার কারণে বয়স্ক লোকদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকে। সময়ের সাথে সাথে শরীরের পুষ্টির হার কমতে থাকে । অন্যদিকে শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম । আর এ ক্ষমতা মানুষের মাঝে থাকা অত্যন্ত জরুরী। আর শরীরে ইউমিন না থাকলে নানা ধরনের রোগে আক্রান্ত হতে হয়। দেখা যায় ইউমিন ঘাটতির ফলে বছরের বেশির ভাগ সময়ে রোগে আক্রান্ত হতে হয়।

যার ফলে দৈনিন্দ কাজের ব্যাঘাত ঘটে। তাছাড়া মন-মানসিকতা দুর্বল হয়ে পড়ে। দৈনিন্দ জীবনের কাজে কায়িক শ্রম এর ফলে শরীর থেকে অনেক পুষ্টি ঘামাকরে বের হয়ে যায়। এর ফলে পুষ্টির ঘাটতি হয়। তাই আমাদেরকে সচেতন হতে হবে পুষ্টির ঘাটতি যেন না হয়। এজন্য আমাদেরকে প্রচুর পরিমাণ পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে কায়িক পরিশ্রমের পাশাপাশি।

যদি শরীর স্বাস্থ্য ভালো না থাকে, তাহলে মন ভালো থাকে না। আর মন ভাল না থাকলে কোন কিছুই ভাল থাকে না।

যেসব কারণে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়-


1.চিনি বা মিষ্টিজাতীয় খাবার খেলে শরীরে ইউমিন এর পরিমাণ কমে যায়। বাইরের কোমল পানীয় এবং সবগুলোতে প্রচুর পরিমাণে সুগার ব্যবহার করা হয়। যার ফলে শরীরে ইউমিন এর পরিমাণ কমে যায়।

2. অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা মানুষের মন মানসিকতাকে দুর্বল করে ফেলে। যার ফলে সে শারিরিকভাবে ও ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়ে। দুশ্চিন্তার কারণে মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা একদম কমে যায়। তাই অতি সহজে দুশ্চিন্তা করে নিজের ক্ষতি ডেকে আনবেন না।

3.অতিরিক্ত পরিশ্রমের ফলে শরীরের থেকে পুষ্টিকর এবং প্রয়োজনীয় উপাদান বের হয়ে যায়। যার ফলে বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করার জন্য কিছু খাবার


1. শরীর ভালো রাখার জন্য প্রোটিন জাতীয় খাবারের প্রয়োজন অপরিসীম। প্রোটিন আঘাতের ফলে শরীর দুর্বল ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে। আরে প্রোটিনযুক্ত খাবার শরীরের অভ্যন্তরীণ শক্তি বৃদ্ধি করে তুলে। যার ফলে শরীর ভালো থাকে। প্রোটিনযুক্ত খাবার হচ্ছে ডিম, মাছ, শাকসবজি, সামুদ্রিক মাছ, কচুর শাক ইত্যাদি। তাই শরীরের ইউমিন এর পরিমাণ বাড়াতে হলে খাবারের তালিকা সব সময় প্রোটিনযুক্ত খাবার রাখতে হবে।

2. ভিটামিন সি যুক্ত খাবার শরীরের ইউমিন এর জন্য খুব কার্যকরী। মানব দেহের ত্বকের উজ্জ্বলতা, চুল বৃদ্ধি এবং দাঁতের গোড়া শক্ত করতে সাহায্য করে। ভিটামিন-সি সাধারণত পাওয়া যায়  আমলকি, পেয়ারা, বাতাবি লেবু, কমলা লেবু ও বিভিন্ন ধরনের সবুজ শাকসবজিতে। যেমন পুঁইশাক, পালং শাক, কাঁচা মরিচ ও কাঁচা পেঁপে ইত্যাদি।

3. জিংক শরীরের শ্বেত রক্ত কণিকা বৃদ্ধি করে। শ্বেত রক্তকণিকা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে। এর পরিমাণ কমে গেলে তারা ধরনের রোগে আক্রান্ত হয়। দুধ, শিমের বিচি, মাখন ও পনিরে প্রচুর পরিমাণ জিংক থাকে।

4. নিয়মিত ব্যায়াম করলে শরীরের ইমিউন সিস্টেমের পরিমাণ বেড়ে যায়। নিয়মিত ব্যায়াম না করলেও প্রতিদিন 40 থেকে 50 মিনিট হাটলে উপকার পাওয়া যায়। প্রতিদিনের হাঁটাচলা শরীরের রক্ত চলাচল বৃদ্ধি করে। পরিমত ঘুমিয়ে নিতে হবে। গান ঘুম শরীরে প্রশান্তি নিয়ে আসে। যার ফলে মন সতেজ থাকে।

5. ভিটামিন বি 12 শরীরের ইউমিন দ্রুত বাড়ানোর জন্য খুব কার্যকরী। দুগ্ধজাত খাবার এবং ডিমের কুসুমের প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি 12 থাকে।

উপরের নিয়মগুলো মেনে চললে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে। শরীর ভালো থাকলে মন ভাল থাকে। তাই নিজেকে সুস্থ ও সতেজ মন রাখতে চাইলে নিয়মগুলো মেনে চলার চেষ্টা করুন।


Tags: রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির উপায়,রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাওয়ার কারণ,রোগ প্রতিরোধ,রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা,রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করার উপায়,রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর উপায়,রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি,রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির উপায়,রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর উপায়,রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির খাবার,রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির ঔষধ,শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির উপায়,শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির উপায়,রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির ব্যায়াম,রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিকারক খাবার

Post a Comment

0 Comments