আসসালামু আলাইকুম।আশা করি সবাই ভালো আছেন।

আজকে আমি আপনাদের জন্য ৩ টি অস্কারজয়ী মুভি রিভিউ নিয়ে এসেছি। যার নাম The Matrix Trilogy. এটি একটি মুভি সিরিজ যা মূলত ৩ টি মুভি নিয়ে নির্মিত হয়েছে।



চলুন দেখে নেয়া যাক এক নজরে মুভির কিছু বর্ণনা ও ধরন:

Movie Name: The Matrix Trilogy (1999-2003)

Genre: Action, Sci-Fi

Language: English,Hindi Dubbed

Industry: Hollywood

Casts: 

1. Keanu Reeves as Neo/ Thomas A. Anderson 

2. Carrie-Anne Moss as Trinity 

3. Lawrence Fishburne as Morpheous 

4. Hugo Weaving as Agent Smith and Many more 


Release Dates:

1.  The Matrix: March 31, 1999

2. The Matrix Reloaded: May 16, 2003

3. The Matrix Revelations: November 5, 2003 


IMDb Rates:

1. The Matrix (1999): 8.7/10 

2. The Matrix Reloaded (2003): 7.2/10 

3. The Matrix Revelations (2003): 6.8/10 


আমার নিজের রেটিং: 9/10 

----NO SPOILER---


সাই-ফাই মুভি তো আমরা সকলেই পছন্দ করি। কিছু কিছু সাই-ফাই মুভি চোখে পড়ার মতো আর কিছু কিছু সাই-ফাই মুভি যাচ্ছে তাই। আজকে এমনই একটি একটি সাই-ফাই মুভির ট্রিলোজি নিয়ে কথা বলতে যাবো যার নাম দ্যা ম্যাট্রিক্স। এই মুভি ট্রিলোজিটি সাই-ফাই ছাড়াও একশন জনরার। এই মুভির প্রথম কিস্তি রিলিজ পায় আজ থেকে ২২ বছর আগে অর্থাৎ ১৯৯৯ সালে।

 এরপরের মুভিগুলো ২০০৩ সালের মে মাসে ও নভেম্বরে রিলিজ পায়।

 এই মুভির ট্রিলোজিতে লিড রোলে থাকেন কিয়ানু রিভস। এই মুভিটি কিয়ানু রিভসের দারুন অভিনয় করা মুভি সিরিজ। দ্যা ম্যাট্রিক্স ট্রিলোজি ছাড়াও কনস্ট্যান্টাইন, দ্যা লেক হাউজ, স্পিড এবং সম্প্রতি জন উইকে ইত্যাদি মুভিতে অভিনয় করে। এছাড়াও তিনি নিজেও একটি মুভিতে অভিনয়ের পাশাপাশি পরিচালনাও করেছেন যার নাম ম্যান অফ তাই চি।

 

এই মুভিতে কিয়ানু রিভসের অভিনয় ও তার একশন ভালো লেগেছে। আর একশনগুলো মোটামুটি ভালোই লেগেছে আর স্টান্ট গুলোও ভালো লেগেছে এর মধ্যে বুলেট ডজ করার সময়ে তার শরীর একদম চিত করে দেওয়ার সিনটাও ভালো লেগেছে, ট্রেন স্টেশনের মধ্যে নিও এবং এজেন্ট স্মিথের ফাইট সিনটা না ভুলার মতো। আর দ্যা ম্যাট্রিক্স ৩ এর ক্লাইম্যাক্স সিনটা অতোটা ভালো লাগেনি আমার কাছে। সাউন্ডট্র্যাক গুলোও মোটামুটি ভালোই ছিলো। এই মুভির প্রোডাশনে ছিলো ওয়ার্নার ব্রাদার্স পিকচার্স। এই মুভির পপুলারিটি এতো ছিলো যে এই মুভি নিয়ে ২টি ভিডিও গেম এন্টার দ্যা ম্যাট্রিক্স এবং দ্যা ম্যাট্রিক্স পাথ অফ নিও রিলিজ পায়। 

২০০০ সালে The Matrix(1999) পেয়েছিল সব ক্যাটেগরিতে অস্কার।কারণ ওই সময়ে এত ডিজিটাল কম্পিউটারের টেকনোলজি সম্বন্ধে মুভি বানানো ছিল অকল্পনীয় ব্যপার।বিশেষ করে এখনো মানুষ ওই মুভিটি দেখে অবাক হয় কিভাবে ওই সময়ে এত সুন্দর ভবিষ্যত কম্পিউটার নিয়ে মুভি বানানো হলো।




এবার আসুন মুভির কাহিনী সম্বন্ধে একটু ধারণা নেয়া যাক।

২২০০ সাল, মেশিনদের সাথে বিগত একশ বছরের যুদ্ধ মানবজাতির অস্তিত্বকে ঠেলে দিয়েছে ধ্বংসের মুখোমুখি। ভূ-পৃষ্ঠ এখন আর মানুষের বসবাসের উপযোগী নেই। সূর্যের আলো এখন আর মাটিতে পৌঁছায়না ধূলিমেঘের জন্য। তাই কোন গাছপালা নেই, উত্তাপ নেই। মানুষকে তাই আশ্রয় নিতে হয়েছে মাটির অনেক নিচে, যেখানে এখনো কিছুটা উত্তাপ আছে। শেষ মানববসতি, যার নাম জায়ন।



মেশিনরা কিন্তু মানুষকে একেবারে ধ্বংস করতে চায়না। কারণ, মানুষই হচ্ছে তাদের এনার্জি সোর্স। একজন মানুষ তার প্রতিদিনের কাজকর্মের জন্য জৈবিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রচুর শক্তি উৎপাদন করে। নিত্যদিনের কাজগুলো যদি না করতে হত, তাহলে মানুষের শরীরে প্রচুর অতিরিক্ত শক্তি থেকে যেত। মেশিনরা সেই শক্তি সংগ্রহ করার উপায় পেয়ে গেছে। প্রচুর সংখ্যক মানুষকে তারা সংগ্রহ করেছে, প্রত্যেককে মজুত করেছে এক একটি চৌবাচ্চার মধ্যে, এবং তাদের বিপাকীয় শক্রি আহরণ করছে। নতুন মানুষ জন্ম নেয়ার জন্য এখন আর যৌনপ্রক্রিয়ার প্রয়োজন নেই, তারা ল্যাবরেটরীতেই মানুষ তৈরির উপায় পেয়ে গেছে। কিন্তু একটা সমস্যা রয়েই গেলো। মানুষের শরীর এবং মন যখন একসাথে থাকে, তখন সে হয়ে ওঠে অদম্য। চৌবাচ্চার মধ্যে তাদেরকে রেখে দিলেই খেলা শেষ হয়ে যায়না, তাদের মনকে বোঝানো দরকার- তারা এই চৌবাচ্চার ভেতরে নেই।

 তাই, মেশিনরা তৈরি করলো একটি Dream world সফটওয়্যার – THE MATRIX. চৌবাচ্চার প্রতিটি মানুষের ব্রেইনে সিগন্যাল দেয়া হলো, তারা এখনো ১৯৯৯ সালেই অবস্থান করছে, রেগুলার জীবনযাপন করছে, ঘুম থেকে উঠছে, চাকরি করতে যাচ্ছে, মুভি দেখছে, ক্লাবে নাচ-গান করছে।



কিন্তু যেহেতু ম্যাট্রিক্স একটি সফটওয়্যার, এটার মধ্যেও কিছু গরমিল (software bug) থাকবে। সাধারণ ইউজাররা না বুঝলেও হ্যাকাররা মাঝে মাঝে টের পায়, something is wrong. আমাদের কাহিনীর নায়ক নিও (Neo, অভিনয়ে Keanu Reeves) – এমন একজন হ্যাকার। সবসময় তার মাথায় প্রশ্নটা ঘুরপাক খায়, গরমিলটা কোথায়? উত্তর দিতে এগিয়ে আসে, মর্ফিয়াস (Morpheus)!

জায়ন-এও মেশিনরা আক্রমণ করেছে। কিন্তু মানুষ সহজে হার মানার জাতি নয়। তারা সারভাইভ করেছে বেশ কয়েকটি আক্রমণ। তবে তারা জানে, কিছু একটা না করতে পারলে খুব দ্রুতই তাদের অস্তিত্ব বিলুপ্ত হয়ে যাবে। মর্ফিয়াস বিশ্বাস করে, সেই কিছু একটা করার সামর্থ্য আছে শুধুমাত্র নিও এর কাছে। 



তবে নিও তার ক্ষমতা সম্পর্কে অজ্ঞাত, তার প্রোগ্রামকে নতুন করে লিখতে হবে সেই ক্ষমতা ব্যবহার করতে হলে। মর্ফিয়াস ২২০০ সালের মানুষ, কিন্তু মেশিন মেইনফ্রেম (যার মাধ্যমে ম্যাট্রিক্স সফটওয়্যার চালানো হয়, সেটাকে) হ্যাক করার মাধ্যমে সে ১৯৯৯ এর নিও’র সাথে কনট্যাক্ট করে। ওদিকে মেশিনরাও জানে, নিও’র কাছে ব্যাখ্যার অতীত কিছু শক্তি আছে। 



তাই তারা কিছু নতুন প্রোগ্রাম যোগ করে- এজেন্ট, যাদের কাজ নিওকে তাদের দলে নিয়ে আসা। এই টানাহ্যাঁচড়ার মধ্য দিয়ে শুরু হয়, দ্যা গ্রেটেস্ট সায়েন্স ফিকশন এভার – THE MATRIX.To me, this is the best of the trilogy. ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক, প্রথমবারের মত বুলেট টাইম একশন সিন, অসাধারণ স্ক্রীনপ্লে এবং ডার্ক ন্যারেশন, Hugo weaving আর Lawrence Fishburne এর শক্তিমান অভিনয়, friendship and enmity, trust and betrayal, dialectic philosophy – সব মিলিয়ে কখনো না ভোলার মত অভিজ্ঞতা!

এর গুরুত্ব ও মর্ম বুঝতে আপনাকে পুরো দেখতে হবে মুভি তিনটি।

এবার ডাউনলোড করার পালা।

ডাউনলোড লিংক (Dual Audio) :

1.The Matrix (1999): 480p      720p

2.The Matrix Reloaded (2003): 480p     720p

3.The Matrix Revolutions (2003): 480p    720p


ডাউনলোড করার জন্য গুগল একাউন্টে লগিন করে ফাইল ড্রাইভে নিয়ে ডাউনলোড করে নিবেন।


কোনো সমস্যা হলে বা কিছু জানার জন্য কমেন্টে অবশ্যই আমাকে জানাবেন।

আজকে এই পর্যন্তই।আশা করি সবাই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন আল্লাহ হাফেজ।


4 Comments

Post a Comment

Previous Post Next Post